ইলুমিনাতি সিরিজ (পর্বঃ ০৩)

Masud

MMI Adam
Staff member
Nov 10, 2019
184
7
18
Saudi Arabia
81362256_173311640535896_4132969685169733632_n.jpg80991028_173311607202566_5414948776563441664_n.jpgScreenshot_14.png

পর্বঃ তিন
ইলুমিনাতির প্রস্তুতি ও বিভাজন

এতো জানা গেল কে ইলুমিনাটির সেই নেতা যার জন্য তারা মঞ্চ প্রস্তুত করছে। এবার জানা যাক যে কিভাবে করা হচ্ছে।

যেহেতু দাজ্জাল পৃথিবীর সব মানুষকে তার গোলাম বানাতে চাইবে তাই তার চ্যালা, মানে বিভিন্ন যে গুপ্ত সংস্থা আছে যেমন ফ্রিমেসন, স্কাল এন্ড বোনস্, ইলুমিনাটি এরা প্রথম যে কাজটা করছে তা হলো ধর্মকে নিশ্চিহ্ন। তাদের এমন সব কাজে মগ্ন থাকতে বাধ্য করছে যাতে সবাই ধর্মকে ভুলে থাকে। এতে সবাই এক হয়ে যাবে তার ধর্ম যাই হোক। উদাহরন স্বরুপ বলা যায়, একটা কনসার্টে হিন্দু মুসলিম খ্রিষ্টান সবাই নাচানাচি করছে। সবাই একই রকম অঙ্গভঙ্গি করছে। তার মানে তাদের ধর্ম যাই হোক তবু তারা সেই কনসার্টে কিন্তু একই ধর্মের পালন করছে। আর যেহেতু দাজ্জাল শয়তানের অবতার সেহেতু ইলুমিনাটির মতন গুপ্ত সংস্থাগুলো মানুষের অবচেতন মনকে নেশাগ্রস্থ করে দিচ্ছে বিভিন্ন শয়তানী কাজে। তারা ব্যাপকভাবে প্রচার আর প্রসার করছে গান বাজনা-অশ্লীলতা।

গত ১০ বছরে গান বাজনা আর নিউডিটির প্রচার আর প্রসার যত গতিতে বাড়তে দেখেছি তা আর কখনোই দেখিনি। আর এটা চাক্ষুস সত্য যে ভাল কাজের নেশা করা যত কঠিন খারাপ কাজের নেশা করা ততই সহজ। খুব সহজে মানুষের ভেতর খারাপ নেশা ঢুকিয়ে দেওয়া সম্ভব। আর এ কাজে তাদের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার উলঙ্গ নারী। নারী স্বাধীনতার মতবাদ সমাজে ঢুকিয়ে নারীদেরই পন্য বানিয়ে তারা তাদের আসল কাজ হাসিল করছে পর্দার আড়ালে। এদের আরেকটা প্রচার হলো সেক্যুলারিজম।

এইসবকিছুর আসল উদ্দেশ্য মানুষকে তার ধর্ম থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো পশ্চিমা সঙ্গীত শিল্পীদের বেশিরভাগ ইলুমিনাটির গোলাম। তাদের পোশাক, দেহে আকা ট্যাটু আর গানের কথা আর অঙ্গভঙ্গিতে তারা তারা ইলুমিনাটির সাইন বহন করে, তা প্রদর্শন করে যা আমি নিচের ছবিতে দিয়েছি যেমন ওয়ান আই, পিরামিড বা ইংরেজীতে ৬৬৬ সিম্বল। এদের ফ্যান ফলোয়ার অনেক বেশি হওয়ায় খুব সহজে এর দ্বারা তারা একসাথে দুটো কাজ হাসিল করছে৷ প্রথমত মানুষকে তার নিজ ধর্ম থেকে দূরে রাখা আর দ্বিতীয়ত দাজ্জাল বা শয়তানের সাথে পরিচিত করা এইসব শয়তানী সাইনের মাধ্যমে। এগুলো তার ফ্যানদের অবচেতন মনে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। আবার একটু মানুষের ব্রেইনের অবচেতন অংশে ফিরে যাই। মানুষের চোখের ফোকাস কিন্তু খুব ছোট হয়। উদাহরনঃ ধরি কেউ মোবাইল টিপছে ঘরে বসে। তার চোখের ফোকাস থাকে শুধু মোবাইলে। তখন মোবাইলের বাইরে ঘরের বাকি অংশগুলোয় নজর থাকলেও তা কিন্তু স্পষ্ট দেখা যায়না, ঝাপসা লাগে। কারন তার রেটিনা ফোকাস করছে শুধুই মোবাইলে। মোবাইলের পেছনে যে ঘরের দেয়াল সেটাও ঝাপসা লাগে। এর কারন মানুষের চোখের ফোকাস এরিয়া খুব ছোট হয়। বাকি এরিয়াগুলো দেখা গেলেও তা ঝাপসা লাগে।

আমরা যখন কিছু দেখি তখন সচেতন মন চোখের ফোকাসে মনযোগ দেয় আর বাকি যে ঝাপসা অংশ আছে সেখানে মনযোগ দেয় ব্রেইনের অবচেতন অংশ। তাই যেসকল সেলিব্রেটি এই শয়তানী সংস্থার টাকা খায় তারা সরাসরি বা দর্শকের চোখের ফোকাস এরিয়ায় এইসব শয়তানী সাইন না দেখালেও বা খুব কম দেখালেও বাকি অংশ যেমন তার হাত বা স্টেজের দেয়ালে এইসকল শয়তানী সিম্বল ব্যাবহার করে। দর্শক অনুষ্ঠান দেখাকালীন সময়ে এগুলো না দেখলেও তার ব্রেইনের অবিচেতন অংশে এগুলো গেথে যায়। ফলে পরবর্তীতে যদি সামনা সামনি এই সাইন দেখে তবে মোটেও অপরিচিত মনে হয়না।

ছবিতে বিভিন্ন সেলেব দাজ্জালের ওয়ান আই শো করছে। পিরামিড বানাচ্ছে হাত দিয়ে যা শয়তানের সাইন।
আর অন্য ছবিতে ইলুমিনাটির মতন শয়তানী সংস্থার ব্যাবহৃত কিছু সাইন দেখানো হয়েছে।